ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ ও সড়ক অবরোধ

  • জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সম : ০৯:২১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ১৯ সময় ভিউ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছবি: সংগ্রহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অখণ্ড বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম পুনর্বহালের দাবি ও সদর উপজেলাকে বিভক্তকরণের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা কেবিন এলাকায় রেলপথ এবং আখাউড়া স্থলবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এতে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ বেশ কিছু ট্রেনের নিদিষ্ট সময়ে যাত্রা।

একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা আখাউড়া-আগরতলা সড়কপথ অবরোধ করে রাখায় ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহীসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম- কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল ভেঙে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়।

বাসুদেব ইউনিয়নবাসী শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে এলেও কোনো সুরাহা হয়নি। বরং সম্প্রতি সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন- বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল ভেঙে আখাউড়া উপজেলায় যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নের সঙ্গে একীভূত করে ‘বরিশল’ নামে নতুন একটি উপজেলা গঠনের প্রস্তাব করা হয়।

জানা যায়, জেলা বিএনপির এক নেতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ক্ষোভে ফুসে ওঠে স্থানীয় জনতা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। জানমালের কোনো ক্ষতি যাতে না হয়, নিরাপত্তায় পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।

ট্যাগ :

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেলপথ ও সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত সম : ০৯:২১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অখণ্ড বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম পুনর্বহালের দাবি ও সদর উপজেলাকে বিভক্তকরণের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে সদর উপজেলার কোড্ডা কেবিন এলাকায় রেলপথ এবং আখাউড়া স্থলবন্দর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এতে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেসসহ বেশ কিছু ট্রেনের নিদিষ্ট সময়ে যাত্রা।

একই সঙ্গে বিক্ষোভকারীরা আখাউড়া-আগরতলা সড়কপথ অবরোধ করে রাখায় ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহীসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয়রা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের ছয়টি গ্রাম- কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল ভেঙে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এ বিষয়ে ৪ জুন গেজেট প্রকাশিত হয়।

বাসুদেব ইউনিয়নবাসী শুরু থেকেই এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে এলেও কোনো সুরাহা হয়নি। বরং সম্প্রতি সদর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন- বাসুদেব, সুলতানপুর ও রামরাইল ভেঙে আখাউড়া উপজেলায় যুক্ত করা বরিশল ইউনিয়নের সঙ্গে একীভূত করে ‘বরিশল’ নামে নতুন একটি উপজেলা গঠনের প্রস্তাব করা হয়।

জানা যায়, জেলা বিএনপির এক নেতার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি দাপ্তরিক চিঠি পাঠিয়েছে। বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর ক্ষোভে ফুসে ওঠে স্থানীয় জনতা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলম বলেন, অবরোধের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। জানমালের কোনো ক্ষতি যাতে না হয়, নিরাপত্তায় পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে।